কুশাল রাও বনাম বোম্বে রাজ্য (১৯৫৮)

মামলাটি বাবুলাল নামক একজন ব্যক্তির হত্যাকাণ্ডকে কেন্দ্র করে। যেখানে একটি সরু গলিতে ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাকে আক্রমণ করা হয়েছিল। এ মামলায় রাষ্ট্রপক্ষের মূল ভিত্তি ছিলো নিহত ব্যক্তির করা তিনটি ধারাবাহিক মৃত্যুপূর্ব জবানবন্দি, যা হামলার দুই ঘণ্টার মধ্যেই প্রদান করা হয়েছিল। প্রথমটি তিনি (নিহত ব্যক্তি) একজন চিকিৎসকের নিকট প্রদান করেছিলেন, দ্বিতীয়টি…

পাকালা নারায়ণ স্বামী বনাম এম্পেরর (১৯৩৯)

২৩ মার্চ, ১৯৩৭ তারিখে একটি ট্রেনের কামরায় স্টিলের ট্রাঙ্কের ভিতর হতে সাতখণ্ডে বিভক্ত একটি লাশ উদ্ধার করা হয়। অতঃপর, মৃতব্যক্তির স্ত্রী লাশটিকে শনাক্ত করেন। তিনি বলেন যে, ভুক্তভোগী (মৃতব্যক্তি) বিভিন্ন সময়ে পাকালা নারায়ণের স্ত্রীকে টাকা ধার দিয়েছিলেন। তিনি আরও বলেন যে…

বেরুবাড়ী ইউনিয়ন মামলা (১৯৬০)

মামলার মূল বিরোধ ছিল পশ্চিমবঙ্গের জলপাইগুড়ি জেলার বেরুবাড়ী নামক স্থানকে কেন্দ্র করে, যা ১২ নং বেরুবাড়ী ইউনিয়ন নামেও পরিচিত, যার আয়তন ছিল ৮.৭৫ বর্গমাইল। ১৯৪৭ সালে ব্রিটিশ শাসন অবসানের পর ভারত ও পাকিস্তান নামক দুটি রাষ্ট্রের সৃষ্টি হয়…

রসিকলাল ভাঘাজিভাই প্যাটেল বনাম আহমেদাবাদ পৌরসভা (১৯৮৫)

আপিলকারী, রসিকলাল ভাঘাজিভাই প্যাটেল,পূর্বে একটি সেলস ট্যাক্স ডিপার্টমেন্টের একজন সেলস অফিসার ছিলেন। উক্ত চাকুরিতে থাকা অবস্থায় তার বিরুদ্ধে দায়িত্বে চরম অবহেলা, অসদাচরণ এবং অবৈধভাবে চাঁদা দাবি করার অভিযোগ আনা হয়…

গোস্বামী শ্রী বল্লভলাজী বনাম গোস্বামী শ্রী মহালক্ষ্মী ভাউজি মহারাজ (১৯৬১)

অনিরুদ্ধলালজি, বল্লভাচার্য ভুক্ত মন্দিরগুলোর প্রধান হিসেবে, বিশাল সম্পত্তির মালিক ছিলেন। অনিরুদ্ধলালজি ১৯৩৫ সালের ডিসেম্বরে মৃত্যুবরণ করেন, এবং মৃত্যুকালে তার স্ত্রী, মহালক্ষ্মী বাহুজি মহারাজকে রেখে যান। তার মৃত্যুর পর…