আবদুর রহমান খাঁ বনাম রাষ্ট্র (২০০৪)

তথ্যদাতা আবদুর রহমান খাঁ ১০-০৭-১৯৯৮ তারিখে সামিরসহ চারজন অভিযুক্তের বিরুদ্ধে একটি প্রাথমিক তথ্য প্রতিবেদন (FIR) দায়ের করেন। তিনি অভিযোগ করেন যে, পূর্ব শত্রুতার জের ধরে অভিযুক্তরা তাকে এবং তার পিতাকে আক্রমণ করে। আবদুর রহমান ও তার পিতা জমিতে চাষাবাদ করছিলেন, তখন অভিযুক্তরা প্রাণঘাতী অস্ত্র…

রাষ্ট্র বনাম কাজল আহমেদ জালালী (২০০৭)

কাজল আহমেদ জালালীর মৃত্যুদণ্ডাদেশ নিশ্চিত করার জন্য আদালতের (হাইকোর্টের) অনুমোদন চাওয়া হয়। একই সময়ে, ডা. রওশন আলম এবং হুমায়ুন কবির @ ফুল মিয়া তাদের দণ্ড ও দোষী সাব্যস্ত হওয়া রায়ের বিরুদ্ধে ফৌজদারি আপিল দায়ের করেন। যেটি মূলত বিএনপির রাজনৈতিক কর্মী সুজনকে রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতার কারণে…

পুলুকুরি কোট্টায়া বনাম কিং-এম্পেরর (১৯৪৭)

একটি সহিংস সংঘর্ষে বেশকিছু ব্যক্তি জড়িত ছিল এবং উক্ত সংঘর্ষের ফলে দুইজন ব্যক্তি নিহতও হন। তদন্ত চলাকালে সাব-ইন্সপেক্টর (SI) তার ব্যক্তিগত নোটবুকে সাক্ষীদের বক্তব্য লিপিবদ্ধ করেন। পরে একই দিনে সার্কেল ইন্সপেক্টর (CI) দায়িত্ব গ্রহণ করেন এবং সরকারি কেস ডায়েরিতে সাক্ষীদের বক্তব্য রেকর্ড করেন…

কুশাল রাও বনাম বোম্বে রাজ্য (১৯৫৮)

মামলাটি বাবুলাল নামক একজন ব্যক্তির হত্যাকাণ্ডকে কেন্দ্র করে। যেখানে একটি সরু গলিতে ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাকে আক্রমণ করা হয়েছিল। এ মামলায় রাষ্ট্রপক্ষের মূল ভিত্তি ছিলো নিহত ব্যক্তির করা তিনটি ধারাবাহিক মৃত্যুপূর্ব জবানবন্দি, যা হামলার দুই ঘণ্টার মধ্যেই প্রদান করা হয়েছিল। প্রথমটি তিনি (নিহত ব্যক্তি) একজন চিকিৎসকের নিকট প্রদান করেছিলেন, দ্বিতীয়টি…

রাষ্ট্র বনাম রওশন মণ্ডল (২০০৬)

৮ বছর বয়সী কন্যাশিশু রিক্তা খাতুন ১৫ অক্টোবর ১৯৯৯ তারিখ রাতের বেলায় নিখোঁজ হয়। পরদিন সকালে তার বাড়ির নিকটবর্তী একটি হলুদ ক্ষেত থেকে তার মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় নিহত শিশুর পিতা একটি এজাহার দায়ের করেন; তবে এজাহারে কোনো…