কুশাল রাও বনাম বোম্বে রাজ্য (১৯৫৮)

মামলাটি বাবুলাল নামক একজন ব্যক্তির হত্যাকাণ্ডকে কেন্দ্র করে। যেখানে একটি সরু গলিতে ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাকে আক্রমণ করা হয়েছিল। এ মামলায় রাষ্ট্রপক্ষের মূল ভিত্তি ছিলো নিহত ব্যক্তির করা তিনটি ধারাবাহিক মৃত্যুপূর্ব জবানবন্দি, যা হামলার দুই ঘণ্টার মধ্যেই প্রদান করা হয়েছিল। প্রথমটি তিনি (নিহত ব্যক্তি) একজন চিকিৎসকের নিকট প্রদান করেছিলেন, দ্বিতীয়টি…

রাষ্ট্র বনাম আঞ্জুয়ারা খাতুন (২০০৪)

টিপু সুলতান ও তার স্ত্রী আঞ্জুয়ারা খাতুন একসাথে তাদের পারিবারিক বাড়িতে বসবাস করতেন। ঘটনার দিন, টিপু সুলতান গলায় কোদালের আঘাতে মারাত্মক আহত হন। ঘটনার পরপরই আঞ্জুয়ারা খাতুন বাড়ি থেকে পালিয়ে পাশের এক বাড়িতে আশ্রয় নেন এবং তার এরূপ আচরণ…

পাকালা নারায়ণ স্বামী বনাম এম্পেরর (১৯৩৯)

২৩ মার্চ, ১৯৩৭ তারিখে একটি ট্রেনের কামরায় স্টিলের ট্রাঙ্কের ভিতর হতে সাতখণ্ডে বিভক্ত একটি লাশ উদ্ধার করা হয়। অতঃপর, মৃতব্যক্তির স্ত্রী লাশটিকে শনাক্ত করেন। তিনি বলেন যে, ভুক্তভোগী (মৃতব্যক্তি) বিভিন্ন সময়ে পাকালা নারায়ণের স্ত্রীকে টাকা ধার দিয়েছিলেন। তিনি আরও বলেন যে…

এসকে. শামসুর রহমান বনাম রাষ্ট্র (১৯৯০)

বিচারপতি এটিএম আফজালের নেতৃত্বাধীন সুপ্রিম কোর্ট রায় দেন যে, যদি মৃত্যুকালীন জবানবন্দি নির্ভরযোগ্য, সমর্থিত এবং সন্দেহমুক্ত হয়, তবে এককভাবে শুধু মৃত্যুকালীন জবানবন্দির উপর ভিত্তি করে দণ্ডাদেশ প্রদান করা যাবে…